জুন মাস শেষ হতে না হতেই পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বর্ষা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সংলগ্ন একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বীরভূম জেলায় দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কিছু জেলায় লাল সতর্কতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে।
কোথায় কত বৃষ্টি হতে পারে?
- কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলা: হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা।
- দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা: মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি, কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণ।
- উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা: ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা। কিছু এলাকায় ২০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টিও হতে পারে।
ভারী বৃষ্টির জেরে শহর ও গ্রামাঞ্চলের নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ মেনে চলার আবেদন জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুনের শেষ এবং জুলাইয়ের শুরুতেও রাজ্যে বর্ষার সক্রিয় পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। ফলে আগামী কয়েকদিন দক্ষিণ ও উত্তর—দুই বঙ্গেই বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।vvvvvজুন মাস শেষ হতে না হতেই পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বর্ষা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সংলগ্ন একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বীরভূম জেলায় দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কিছু জেলায় লাল সতর্কতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে।
