By : Supriya
Updated at : 8 jul 2026
বহুল আলোচিত বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ছেড়ে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার একটি এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। দীর্ঘদিনের নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত এবং গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত নিজের অবস্থান বারবার বদল করছিল যাতে তদন্তকারী সংস্থার নজর এড়িয়ে যেতে পারে। তদন্তকারীরা তার মোবাইল ফোনের গতিবিধি, বিভিন্ন যোগাযোগের সূত্র এবং স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ করে সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলি চিহ্নিত করেন। এরপর নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের বিশ্বাস, জেরার মাধ্যমে ঘটনার নেপথ্যে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসতে পারে। ঘটনার আগে ও পরে কারও সহযোগিতা ছিল কি না, পালিয়ে থাকতে কারা সাহায্য করেছে এবং ঘটনার সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কী ছিল—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বহুল আলোচিত বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ছেড়ে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার একটি এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। দীর্ঘদিনের নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত এবং গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত নিজের অবস্থান বারবার বদল করছিল যাতে তদন্তকারী সংস্থার নজর এড়িয়ে যেতে পারে। তদন্তকারীরা তার মোবাইল ফোনের গতিবিধি, বিভিন্ন যোগাযোগের সূত্র এবং স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ করে সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলি চিহ্নিত করেন। এরপর নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হবে, যাতে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্য কোনও ব্যক্তি রয়েছে কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে।
এদিকে এই গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। নিহতের পরিবারও দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ফরেনসিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ্য: অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলেও আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তিনি অভিযুক্ত হিসেবেই বিবেচিত হবেন। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলমান।
