By: Supriya Paul
Updated : jul 01,2026
দেশজুড়ে বাণিজ্যিক এলপিজি (LPG) গ্যাস ব্যবহারকারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। নতুন মাসের শুরুতেই তেল বিপণন সংস্থাগুলি ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দামে বড়সড় ছাড় ঘোষণা করেছে। সংশোধিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এক ধাক্কায় ১৭৪ টাকা পর্যন্ত কমেছে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে ১ জুলাই থেকে।
এই মূল্য হ্রাসের ফলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্যাটারিং পরিষেবা, চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানির বাড়তি খরচে ব্যবসায়ীরা চাপের মুখে ছিলেন। ফলে এই সিদ্ধান্তকে স্বস্তিদায়ক বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

তবে সাধারণ পরিবারের জন্য এখনও স্বস্তির খবর আসেনি। ১৪.২ কেজির গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থাৎ বাড়িতে রান্নার গ্যাস ব্যবহারকারীদের আগের দামই দিতে হবে।
জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দামের ওঠানামা, আমদানি খরচ, ডলার-রুপির বিনিময় হার এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক বিষয় বিবেচনা করে প্রতি মাসের শুরুতে তেল বিপণন সংস্থাগুলি এলপিজির দাম সংশোধন করে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এবার বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমায় রেস্তোরাঁ ও খাদ্য ব্যবসার পরিচালন খরচ কিছুটা কমতে পারে। ভবিষ্যতে এর ইতিবাচক প্রভাব খাবারের দামেও পড়তে পারে। যদিও তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্ত এবং বাজার পরিস্থিতির উপর।

এদিকে, গৃহস্থালি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত থাকায় সাধারণ গ্রাহকদের নজর এখন আগামী মাসের মূল্য সংশোধনের দিকে। অনেকেই আশা করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকলে ভবিষ্যতে গৃহস্থালি এলপিজির দামেও কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে
- ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার: সর্বোচ্চ ১৭৪ টাকা পর্যন্ত সস্তা।
- নতুন দাম কার্যকর: ১ জুলাই থেকে।
- ১৪.২ কেজির গৃহস্থালি এলপিজি: দামে কোনও পরিবর্তন নেই।
- সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন: হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্যাটারিং, খাবারের দোকান ও অন্যান্য বাণিজ্যিক গ্রাহক।
- প্রতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী এলপিজির দাম পর্যালোচনা করা হয়।
বিঃদ্রঃ বিভিন্ন শহরে পরিবহন খরচ ও করের কারণে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কিছুটা আলাদা হতে পারে। তাই নিজের এলাকার ডিলার বা তেল বিপণন সংস্থার প্রকাশিত মূল্য তালিকা দেখে চূড়ান্ত দাম জেনে নেওয়া উচিত।
