Edited by; Supriya Paul
Updated at; 15 jun 2026
বহুল আলোচিত UPSC বিতর্কের কেন্দ্রীয় মুখ পূজা খেডকরকে ঘিরে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একসময় ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার (IAS) প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়া পূজা খেডকরের বিরুদ্ধে ভুয়া নথি, সংরক্ষণ সুবিধার অপব্যবহার এবং পরীক্ষায় অনুমোদিত সীমার বেশি বার অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

২০২৪ সালে UPSC তদন্ত করে জানায় যে, পূজা খেডকর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নিজের ও পরিবারের পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তন করে একাধিকবার পরীক্ষায় বসেছিলেন, যা UPSC-এর নির্ধারিত নিয়মের পরিপন্থী। এরপর কমিশন তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে এবং ভবিষ্যতের সমস্ত UPSC পরীক্ষা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া OBC ও PwBD (Persons with Benchmark Disabilities) শংসাপত্র ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশ ও অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা পৃথক তদন্ত শুরু করে।
২০২৫ সালে তদন্তের অংশ হিসেবে পূজা খেডকরকে ক্রাইম ব্রাঞ্চের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। যদিও তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে তাঁর বিরুদ্ধে অনেক তথ্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর আগাম জামিন মঞ্জুর করলেও তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে মামলার তদন্ত চলবে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কী বলছে UPSC?
UPSC জানিয়েছে, পূজা খেডকরের ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন ও পরিবর্তনের মাধ্যমে পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। কমিশনের দাবি, গত ১৫ বছরের রেকর্ড খতিয়ে দেখেও এ ধরনের আর কোনও ঘটনা সামনে আসেনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও চর্চা
সাম্প্রতিক সময়ে মামলার অগ্রগতি ও নতুন আইনি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও পূজা খেডকর ইস্যু নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু মানুষ প্রশাসনিক নিয়োগ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

(বিঃদ্রঃ: তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান। আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে দোষী বলে গণ্য করা হয় না।)
