দিল্লিতে ISI-ঘনিষ্ঠ সন্দেহভাজন নেটওয়ার্ক ভাঙার দাবি, একাধিক ব্যক্তি গ্রেফতার

সংবেদনশীল তথ্য পাচার ও নাশকতার সম্ভাব্য ছক নিয়ে তদন্ত জোরদার, নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি বৃদ্ধিসংবেদনশীল তথ্য পাচার ও নাশকতার সম্ভাব্য ছক নিয়ে তদন্ত জোরদার, নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি বৃদ্ধি

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন গুপ্তচরবৃত্তি চক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযানের দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। প্রাথমিক তদন্তে ধৃত কয়েকজনের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সূত্র পাওয়া গেছে বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে নজরদারির পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস, নথিপত্র এবং যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাচারের একটি সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল।

নিরাপত্তা সংস্থার এক আধিকারিক জানান, ধৃতদের আর্থিক লেনদেন, বিদেশি যোগাযোগ এবং ডিজিটাল কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বৃহত্তর নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার জেরে রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। রেলস্টেশন, বিমানবন্দর এবং সরকারি স্থাপনাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধী ও শাসক—উভয় পক্ষই জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের সন্ধানে অভিযান চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মামলায় নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন গুপ্তচরবৃত্তি চক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযানের দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। প্রাথমিক তদন্তে ধৃত কয়েকজনের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সূত্র পাওয়া গেছে বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে নজরদারির পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস, নথিপত্র এবং যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাচারের একটি সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল।

নিরাপত্তা সংস্থার এক আধিকারিক জানান, ধৃতদের আর্থিক লেনদেন, বিদেশি যোগাযোগ এবং ডিজিটাল কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বৃহত্তর নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার জেরে রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। রেলস্টেশন, বিমানবন্দর এবং সরকারি স্থাপনাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধী ও শাসক—উভয় পক্ষই জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের সন্ধানে অভিযান চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মামলায় নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *